আমেরিকা-বাংলাদেশ সম্পর্ক ব্যবসা-বাণিজ্য

রিজার্ভ চুরি: আমেরিকার বিরুদ্ধে মামলা করবে না বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘ্টনায় ফিলিপাইনের সিনেটের শুনানির একটি দৃশ্য
বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘ্টনায় ফিলিপাইনের সিনেটের শুনানির একটি দৃশ্য

বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘ্টনায় ফিলিপাইনের সিনেটের শুনানির একটি দৃশ্য

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ব্যাংকটি মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স খবর দিচ্ছে, চুরি হওয়া আট কোটি ১০ লক্ষ ডলার উদ্ধারে ফেডারেল রিজার্ভ এবং সুইফ্ট মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের বিরুদ্ধে মামলা না করে, বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের সাহায্য চাইবে।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স এই খবর দিয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের পেছনে কী কারণ রয়েছে, ঐ মুখপাত্র তা ব্যাখ্যা করেননি বলে খবরে বলা হয়েছে। রয়টার্স বলছে, নিউ ইয়র্ক ফেড এবং সুইফ্টের ভুলের ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক হুমকির মুখে পড়েছে, এই যুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময় এলো যখন মঙ্গলবার বাংলাদেশের কর্মকর্তারা নিউ ইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভ এবং সু্‌ইফ্টের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শুরু করছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে অজ্ঞাতপরিচয় হ্যাকাররা ভুয়া ট্রান্সফার ব্যবহার করে নিউ ইয়র্ক ফেডালের রিজার্ভ থেকে সুইফটের মাধ্যমে ঐ অর্থ হাতিয়ে নেয়। ঐ অর্থ পরে ফিলিপাইনে পাচার করা হয়। এর আগে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সেখানকার রিজাল ব্যাংককে দুই কোটি ১০ লক্ষ ডলার জরিমানা করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ফিলিপিন্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে বলেছে, এটিই তাদের সবচেয়ে বড় ধরনের জরিমানার ঘটনা। অন্যদিকে রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন (আরসিবিসি) বলেছে, তারা এক বছর সময়সীমার মধ্যেই জরিমানার টাকা পরিশোধ করবে।

নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের একাউন্ট থেকে বাংলাদেশের জমা করা আট কোটি ১০ লক্ষ ডলার চুরির ঘটনার সাথে জড়িতরা রিজাল ব্যাংককেই চ্যানেল হিসেবে ব্যবহার করেছিলো।